Show Categories

৫টি ভুল, যা সন্তানের স্বাস্থ্যের মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে

Bigganbaksho-Parenting

প্রত্যেক বাবা মা তাদের সন্তানের যত্নে সর্বোত্তম পন্থা অবলম্বন করেন। তারা তাদের সন্তানের যত্নে কোন ক্রুটি রাখেন না। বিশেষ করে নতুন বাবা মা সন্তানের যত্নে বেশি সতর্ক থাকেন। কিন্তু এত সতর্ক থাকা সত্ত্বেও সন্তানের যত্নে কিছু কিছু ভুল বাবা মায়েরা করে থাকেন যা সন্তানের স্বাস্থ্যে মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে। বাবা মায়ের এমন ৫ টি ভুল নিয়ে আজকে আলোচনা করব।

৫। বেবি ওয়াকার’স এর  ব্যবহার ক্ষতি করতে পারে আপনার শিশুর- 

শিশুদের হাঁটা শেখাতে বাবা মায়েরা বিভিন্ন ধরনের বেবি ওয়াকার’স ব্যবহার করেন। তারা মনে করেন এসব দিয়ে শিশু সহজে হাঁটতে শিখে যাবে। কিন্তু ব্যাপারটা সম্পূর্ণ উলটো এবং মারাত্মক ক্ষতিকর। হয়তো জেনে অবাক হবেন কানাডার মত দেশেও এধরনের বেবি ওয়াকার’স এবং জাম্পারো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। কারন হিসেবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এধরনের বেবি ওয়াকার’স শিশুর থেকে বেশি উঁচু হওয়ায় এতে করে শিশুর হাড়ে এবং মেরুদণ্ডে মারাত্মক ক্ষতি করে। এবং এসব ব্যবহারে শিশু স্বাধীন ভাবে হাঁটতে অক্ষম হয়ে পরবে।

আরও পড়তে পারেন- শিশুর কার্টুন আসক্তি; জেনে নিন প্রভাব ও প্রতিরোধের উপায়।

৪। জুস ও পাস্তুরিত  দুধের ব্যবহার সীমিত করুন-  

প্রায় সব বাবা মা মনে করেন শিশুর স্বাস্থ্যের জন্য জুস ও দুধ খুব উপকারি। কিন্তু পাস্তুরিত জুস ও দুধে ভিটামিন কম এবং চিনি সমৃদ্ধ। এতে দাঁতের ও স্থূলতার সমস্যা হতে পারে। শিশুর পিপাসা হলে বাবা মা তাদের বিভিন্ন ধরনের জুস দিয়ে থাকে কিন্তু এতে হিতে বিপরীত ঘটে। কারন এসব জুসে চিনি বেশি থাকায় শিশুর আরও বেশি পিপাসা পেয়ে বসে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন ১ বছর পার হওয়ার পর শিশুকে ফ্রেশ জুস দেয়া যেতে পারে। অন্যদিকে প্যাকেট দুধের বেলায় বলা যায়, দুধে আয়রনের পরিমাণ কম থাকে এবং নিউট্রিয়েন্টস বেশি থাকে। যেটি শিশুর জন্য অপ্রয়োজনীয়। এছাড়াও এতে করে কিডনির ক্ষতি, রক্তশূন্যতা এবং এলার্জি হতে পারে। তবে শিশুকে ১ বছর পর গরুর দুধ দেয়া যেতে পারে।

Bigganbaksho-Parenting

৩। অতি উজ্জ্বল এবং শব্দযুক্ত খেলনা্র ব্যবহার সীমিত করুন- 

শিশুরা খেলনা খুব পছন্দ করে। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে অপ্রাকৃত কালার, ইলেক্ট্রনিক্স সাউন্ড এবং খেলনায় ব্যবহৃত অন্যান্য উপাদান শিশুর ক্রিয়েটিভিটি ডেভেলপমেন্টে ক্ষতিকর হতে পারে। তাই শিশুকে ন্যাচারাল কালার ও ম্যাটেরিয়ালে তৈরি কাঠ এবং ফেব্রিকের তৈরি খেলনা দিতে পারেন। এছাড়াও পুতুল না দিয়ে এমন কিছু খেলনা দিতে পারেন যা দিয়ে খেলতে খেলতে শিশু নতুন কিছু করতে পারে।

২। ইলেক্ট্রনিক্স এবং গ্যাজেট থেকে দূরে রাখুন-

ইলেক্ট্রনিক্স এবং গ্যাজেট জাতীয় যন্ত্র থেকে আপনার শিশুকে দূরে রাখুন। মোবাইল, ট্যাব, টিভি এসব থেকে শিশুকে যতটা বিরত রাখা যায় ততই ভালো। কারো মোবাইল বা ট্যাব জাতীয় গ্যাজেট ব্যবহারে শিশুর চোখে ও মস্তিষ্কে মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। এবং এসবের কারনে শিশুর সামাজিক যোগাযোগ বাধাগ্রস্ত হয়। খুব বেশি প্রয়োজনে প্রতিদিন ১ ঘণ্টা করে এই ধরনের ডিভাইস ব্যবহার করতে দেয়া যেতে পারে।

১।  সিটবেল্ট ব্যবহারে সতর্কতা-

এই পয়েন্ট সবচেয়ে জরুরী গর্ভবতী মায়েদের জন্য। স্বাভাবিক ভাবে যদি গর্ভবতী মা ড্রাইভিং করে থাকে তবে তাকে সিটবেল্ট ব্যবহারে সতর্ক হতে হবে। যদি নরমাল পদ্ধতিতে সিটবেল্ট পড়া হয় তবে সেটি গর্ভে থাকা শিশুর জন্য মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। সেক্ষেত্রে অন্য কোন উপায়ে সিটবেল্ট পড়া যেতে পারে।

আরও পড়তে পারেন- শিশুকে সংখ্যা ও গণনা শেখানোর সহজ ৬ টি কৌশল!

বাংলাদেশের প্রথম এবং একমাত্র সায়েন্স কিট অন্যরকম বিজ্ঞানবাক্স আপনার সন্তানের অবসর সময় সুন্দর করবে, এবং তার মেধা বিকাশে সাহায্য করবে। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন।

449 total views, 1 views today

What People Are Saying

Facebook Comment