Show Categories

ওরা বিজ্ঞানবাক্স ব্যবহার করে, তুমি কি বিজ্ঞানবাক্স ব্যবহার কর?

বিজ্ঞানবাক্স ব্যবহারকারী-Bigganbaksho

পড়াশোনা করতে হয় আনন্দ নিয়ে। পড়াশোনা কারোর ওপর চাপিয়ে দেয়ার বিষয় নয়। আর আমাদের “অন্যরকম বিজ্ঞানবাক্স” বিজ্ঞানকে করে তুলবে আরো সহজ। আমরা বিশ্বাস করি, আমাদের সন্তানেরা বিজ্ঞান শুধু পড়বে না; তারা বিজ্ঞান শিখবে, তারা বিজ্ঞান নিয়ে খেলবে। অন্যরকম বিজ্ঞানবাক্সের রয়েছে ৬টি ভিন্ন ভিন্ন কিট। এসব বিজ্ঞানবাক্স ব্যবহারকারীর গল্প আমরা তুলে ধরছি। তারই ধারাবাহিকতায় আজ আমরা জানব আলিফ ও ফয়সালের কথা।

ডাঃ আলিফ!

নাফিউল রহমান আলিফ বাবা মার আদরের সন্তান হলেও, বড় হচ্ছে শুধু মায়ের আদরে। মা একটা বেসরকারি কোম্পানিতে চাকুরী করছেন। সাধ্যমত চেষ্টা করেন ছেলের আবদার পূরণের। ইদানিং তিনি খেয়াল করছেন, তার ছেলে চুম্বক নিয়ে সারাদিন খেলে। শুধু যে খেলে তাই না, নানারকম প্রশ্নও করে! শুধু চুম্বক না, আলো নিয়েও ওর অনেক আগ্রহ! সেদিন অফিস থেকে ফিরতেই আলিফ জানতে চাইলো, আচ্ছা মা সূর্যের আলোতে যে ৭টি রং আছে কিন্তু আমরা তা দেখতে পাই না কেন? ছেলের সব প্রশ্নের উত্তর তিনি দিতে পারেন না, তবে তার এই প্রশ্ন করাটাতার খুব ভালো লাগে। এটা কেন হল, ওটা কেন হল না, সারাদিন এসব প্রশ্ন মাথার মধ্যে ঘুরপাক খায় আলিফের।

আরো পড়তে পারেন – শিশুর মজার খেলা; যে খেলা স্মৃতিশক্তি বাড়ায়

আলিফ একদিন তার স্কুলের এক বন্ধুর কাছে বিজ্ঞানবাক্স সম্পর্কে জানলো। ইউটিউবে ভিডিও দেখলো। ওর কাছে মনে হলো, ওর প্রশ্নের উত্তর বিজ্ঞানবাক্সের কাছেই আছে! রাতে খাওয়া শেষে ঘুমোতে যাওয়ার আগে মাকে বিজ্ঞানবাক্সের কথা বললো। মা জানালেন, বিজ্ঞানবাক্স সম্পর্কে খোঁজ নিয়ে দেখবেন।
একদিন অফিস ছুটির অনেক আগেই বাসায় ফিরলেন মা আনিকা বেগম। বাসায় ফিরেই আলিফকে বললেন গুছিয়ে নিতে। তাকে নিয়ে সোজা চলেএলেন বিজ্ঞানবাক্সের অফিসে। আলিফ তো এত এত বিজ্ঞানবাক্স দেখে অবাক? একটু বোধহয় থতমত খেয়ে গেলো! কোথায় হারালো এতশত প্রশ্ন?
তবে একটু বাদেই সে তার চেনা রূপে ফিরে এল। একে একে ৬টি বিজ্ঞানবাক্স সম্পর্কে জানলো, আর সবগুলি নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্নে ব্যতিব্যস্ত করলো সবাইকে। এরপর আনিকা বেগম তাকে জানায় এ মাসের বেতন পেলে প্রথমে তাকে আলোর ঝলক বিজ্ঞানবাক্স কিনে দেবেন । একথা শুনতেই দিনের হিসাব কষতে কষতে পুলকিত মনে বাড়ি ফিরলো আলিফ।
আলিফ মিরপুর সিদ্ধান্ত হাইস্কুলের ২য় শ্রেণিতে পড়ছে। বড় হয়ে ডাক্তার হতে চায়, সেবা করতে চায় মানুষের। বিজ্ঞানবাক্সের পক্ষ থেকে আলিফের জন্য শুভ কামনা রইল।

ইঞ্জিনিয়ার ফয়সাল!

ফয়সাল মাহমুদ রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুলের ৭ম শ্রেণিতে পড়ছে। গণিত এবং ইংরেজি তার খুব পছন্দের বিষয়। গল্পের বই পড়তে ভাল লাগে তবে অবসর পেলে গিটার বাজাতে মন টানে। মাঝে মাঝে মনের খোরাক মিটাতে ছয় তারে ঝড় তোলে সে। নতুন কিছু জানার ইচ্ছা তার সবসময়।

৬ষ্ট শ্রেণীতে থাকা অবস্থায় ভাল লাগে অন্যরকম বিজ্ঞানবাক্স। নিজেই কিনে নেই চুম্বকের চমক বিজ্ঞানবাক্স। ভাল লাগা আরো বেড়ে যায়। এরপর সে রসায়ন রহস্য ও শব্দকল্প বিজ্ঞানবাক্স ব্যবহার করেছে। শব্দকল্প বিজ্ঞানবাক্সের আলোর মাধ্যমে শব্দ প্রেরণ, রসায়নের লাভা ল্যাম্প, চুম্বকের চমকের ইলেকট্রো ম্যাগনেট তাকে অবাক করে। বিজ্ঞানবাক্সের বিভিন্ন এক্সপেরিমেন্ট তার বইয়ের পড়াকে সহজ করেছে। পরবর্তীতে সে আরও নতুন নতুন বিজ্ঞানবাক্স ব্যবহার করতে চায়।

বড় হয়ে সে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার হতে চায়। বিজ্ঞানবাক্সের পক্ষ থেকে শুভ কামনা রইল ফয়সালের জন্য।

236 total views, 1 views today

What People Are Saying

Facebook Comment