বিজ্ঞানবাক্স স্কুল ইভেন্ট টিম। ক্ষুদে বিজ্ঞানীর খোঁজে বেরিয়ে পড়েন যারা

Students listening Bigganbaksho

স্কুল ইভেন্ট কী?
আমরা বইতে বিজ্ঞানের বিভিন্ন তথ্য ও পরীক্ষানিরীক্ষা সম্পর্কে জানি। কিন্তু আমাদের দেশের সীমাবদ্ধতার জন্য হাতে কলমে শেখার সুযোগ কম। বাংলাদেশ বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণ সমিতির উদ্যোগে বিজ্ঞানবাক্সের স্কুল ইভেন্ট টিম দেশের বিভিন্ন স্কুলে গিয়ে বিজ্ঞানবাক্সের মাধ্যমে হাতে কলমে বিজ্ঞানের বিভিন্ন জানা-অজানা, বিভিন্ন পরীক্ষা ও বাচ্চারা বইতে বিজ্ঞানের যেসব জিনিস সম্পর্কে পড়ে, সেগুলোকে ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে হাতে কলমে শেখায় ও দেখায়। যার ফলে বাচ্চাদের মাঝে বিজ্ঞান আর রহস্য থাকে না। তারা বিজ্ঞানের রহস্য উন্মোচন করতে শেখে ও বইয়ে সীমাবদ্ধ থাকা বিজ্ঞানকে বাস্তবে আবিষ্কার করতে পারে। এক কথায় বলতে গেলে, অন্যরকম বাংলাদেশের স্বপ্ন নিয়ে বাংলাদেশের পরবর্তী প্রজন্মকে ছোট থেকেই বিজ্ঞানমনস্ক করে গড়ে তুলতে ও বিজ্ঞান শেখায় আগ্রহ বাড়াতে বিভিন্ন স্কুলে গিয়ে বিজ্ঞানবাক্সের মাধ্যমে হাতে কলমে বিজ্ঞান শেখানোর যে ক্যাম্পেইন সেটাই বাংলাদেশ বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণ সমিতির বিজ্ঞানবাক্স স্কুল ইভেন্ট।

এক্সপেরিমেন্ট দেখাচ্ছেন স্কুল ইভেন্টের এক সদস্য

স্কুল ইভেন্ট শুরু হওয়ার গল্প
বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইনের বয়স যখন ৪ বছর তখন তার বাবা তার জন্য একটা কম্পাস এনেছিলেন। কিন্তু আইনস্টাইন দেখলেন কম্পাসের কাটা সব সময় একদিকেই থাকে। কম্পাসটাকে ঘুরিয়ে দিলেও কাটা আবার একই জায়গায় চলে আসে। আইনস্টাইনের মনে প্রশ্ন জাগলো, এমনটা কেন হচ্ছে! তিনি তার বাবার কাছে এর কারণ জানতে চাইলেন। তারপর তার বাবা তাকে পৃথিবীর মেরু ও চুম্বকত্ব সম্পর্কে ভালোভাবে বুঝিয়ে দিলেন। সেই যে ৪ বছর বয়স থেকে কৌতূহল জন্ম নিলো আইনস্টাইনের মনে, সেটা আর থামেনি। এই কৌতূহলী মন ও বিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহ, পরে আইনস্টাইনকে কোথায় নিয়ে এসেছে তাতো আমরা সবাই জানি।

ক্ষুদে বিজ্ঞানীদের কৌতূহলী চাহনি

আমাদের দেশের স্কুলগুলোতে বিজ্ঞান পড়ানো হয় ঠিক, হয়তো ছোট্ট আইনস্টাইনের মতো আমাদের বাচ্চাদের মনেও এমন অনেক প্রশ্ন জাগ্রত হয়। কিন্তু আমাদের সীমাবদ্ধতার কারণে আমাদের বাচ্চাদের কৌতূহল মেটাতে পারি না। বইয়ের বিজ্ঞানকে বাস্তবে এনে তাদেরকে বিজ্ঞানের রহস্যের মুখোমুখি করতে পারি না। এইসব ভাবনা থেকেই বাংলাদেশ বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণ সমিতি বাংলাদেশের প্রতিটা স্কুলের প্রতিটা শিক্ষার্থীর কাছে বিজ্ঞানের এইসব রহস্যের ব্যাখ্যা করার কথা ভাবেন। এই লক্ষ্যে বাংলাদেশ বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণ সমিতি অন্যরকম বিজ্ঞানবাক্সের এক্সপেরিমেন্টগুলো নিজেরা পরীক্ষা করে দেখেন। দেখে বাংলাদেশে বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণের লক্ষ্যে অন্যরকম বিজ্ঞানবাক্সকে তাদের টুল হিসেবে নির্বাচন করেন। সেই থেকেই বিজ্ঞানবাক্স স্কুল ইভেন্ট টিমের জন্ম। এরপর থেকেই বিভিন্ন স্কুলের প্রধান শিক্ষকের অনুমতি নিয়ে স্কুল ইভেন্ট টিম বাচ্চাদের দেখান মজার বিজ্ঞান। বইয়ের বিজ্ঞানকে বাস্তবে দেখতে পেয়ে বাচ্চাদের চোখ জ্বলজ্বল করে। এই জ্বলজ্বল চোখ আরও অনুপ্রেরণা দেয় বিজ্ঞানবাক্স স্কুল ইভেন্ট টিমকে। এরপর ২০১৬ সাল থেকে বিজ্ঞানবাক্স স্কুল ইভেন্টে ১৫ টি টিমে সুমন, দিদার, মামুন, খোরশেদ, মিসবাহ, আশিক, সাইফুল সহ ৩০ জন স্বপ্নবাজ মানুষ কাজ করেন। যারা এই প্রজন্মের প্রতিনিধিদের কাছে পৌঁছে দেন বিজ্ঞান, বিজ্ঞানের ব্যাখ্যা, তাদের সবার মাঝে গড়ে তুলতে চান একজন উদ্ভাবনী মানুষ।

হাতে কলমে এক্সপেরিমেন্ট দেখাচ্ছেন স্কুল ইভেন্ট টিমের এক সদস্য।

স্কুল ইভেন্ট কীভাবে কাজ করে?
বাংলাদেশ বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণ সমিতির বিজ্ঞানবাক্স স্কুল ইভেন্টের সোর্সিং টিম দেশের বিভিন্ন স্কুল খুঁজে বের করে ওই স্কুলে ক্যাম্পেইন করার জন্য প্রথমে অনুমতি নেন। আবার অনেক স্কুল নিজেরাই বিজ্ঞানবাক্স স্কুল ইভেন্ট টিমের সাথে যোগাযোগ করেন তাদের স্কুলে ক্যাম্পেইন করার জন্য। পরে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী টিমের সদস্যরা ব্যাগ ভর্তি মজার বিজ্ঞান, বুক ভর্তি অনুপ্রেরণা আর চোখ ভর্তি বাচ্চাদের বিজ্ঞানের রহস্য আবিষ্কারের পর জ্বলজ্বল করা চোখ দেখার লোভ নিয়ে বেরিয়ে পড়েন।
বিজ্ঞানবাক্সের রয়েছে ৬ টি আলাদা আলাদা সায়েন্স কিট। প্রতিটা কিটে রয়েছে অনেকগুলো এক্সপেরিমেন্ট। একটা কিটের সবগুলো এক্সপেরিমেন্ট দেখাতে স্কুল ইভেন্ট টিম ন্যুনতম ৪৫ মিনিট সময় নেন। এই ৪৫ মিনিটে বিজ্ঞানবাক্সের ইন্সট্রুম্যান্ট দিয়ে সবগুলো এক্সপেরিমেন্ট একদম হাতে-কলমে দেখান, শিক্ষার্থীদের হাতে কলমে করার সুযোগ করে দেন ও শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন কৌতূহল মিটিয়ে থাকেন।

ওরে বাবা! এত রঙ!

বাংলাদেশ বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণ সমিতির বিজ্ঞানবাক্স স্কুল ইভেন্ট এখন পর্যন্ত ঢাকা জেলার সব কটি স্কুল সহ আরো ৬ বিভাগের ১৫ টি জেলা মিলিয়ে মোট ১৭০০ এর বেশি স্কুলে ক্যাম্পেইন করেছেন। ৩ লক্ষ ৫০ হাজারেরও বেশি ছাত্র-ছাত্রীর চোখের সামনে নিয়ে গিয়েছেন হাতে-কলমের বিজ্ঞান, তারা সবাই নিজের হাতে বিজ্ঞানের বিভিন্ন এক্সপেরিমেন্ট করে দেখেছেন, দেখিয়েছেন।

বিজ্ঞানবাক্স স্কুল ইভেন্টের লক্ষ্য
বিজ্ঞানবাক্স স্কুল ইভেন্টের লক্ষ্যের কথা এককথায় বলতে গেলে, বাংলাদেশের আনাচেকানাচে, ছোট-বড় যত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে, যত শিক্ষার্থী আছে, সব জায়গায়, সবার মাঝে হাতে-কলমে বিজ্ঞান পৌঁছে দেয়া। বাচ্চাদের মাঝ থেকে বিজ্ঞানের ভীতিকে দূর করে বিজ্ঞানকে আরো সহজ করে তোলা, মজার করে তোলা ও সবার মাঝে বিজ্ঞান শেখার আগ্রহ তৈরি করা। বিজ্ঞানবাক্স স্কুল ইভেন্ট এখনো পর্যন্ত ১৭০০ এর বেশি স্কুলে ক্যাম্পেইন করেছে। স্কুল ইভেন্টের লক্ষ্য, অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশের এমন কোন স্কুল থাকবে না, যারা বিজ্ঞানবাক্সের মাধ্যমে বিজ্ঞানের এক্সপেরিমেন্টগুলো দেখবে না।

বিজ্ঞানচিন্তা উপহার পাচ্ছেন এক শিক্ষার্থী

বিজ্ঞানবাক্স স্কুল ইভেন্টের স্বপ্ন
বাংলাদেশী মেয়ে তাকিয়ান ফখরুল। ছোট থাকতে তাকিয়ান ফখরুল তার বাবার অণুবীক্ষণ যন্ত্র দেখে তার বাবাকে শুধু প্রশ্ন করতো। তার বাবা সেইসব প্রশ্নের উত্তর দিতেন। এইসব দেখে ও শুনে তাকিয়ান ফখরুলের বিজ্ঞানের প্রতি একটা আগ্রহ তৈরি হয়েছিলো। সেই তাকিয়ান ফখরুল পরবর্তীতে লেখাপড়া করেছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে। এখন তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি বিষয়ক প্রতিষ্ঠান বিশ্ববিখ্যাত এমআইটি বিশ্ববিদ্যালয়ের “ম্যাটারিয়াল সায়েন্স”এর পিএইচডি গবেষণার একজন শিক্ষার্থী। কয়েকদিন আগে তিনি আলোর গতিপথকে নিয়ন্ত্রণ করে কম্পিউটারকে আরো দ্রুতগতি সম্পন্ন করার একটা পদ্ধতি আবিষ্কার করেছেন। তাকিয়ান ফখরুলের গল্পটা বললাম বাংলাদেশ বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণ সমিতির বিজ্ঞানবাক্স স্কুল ইভেন্টের স্বপ্ন সম্পর্কে জানাতে। বিজ্ঞানবাক্স স্কুল ইভেন্টের স্বপ্ন হচ্ছে, বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানের প্রতি যেই ভীতি কাজ করে বিজ্ঞানবাক্সের মাধ্যমে সেই ভীতি দূর করা। শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞানের মজা আবিষ্কার করে বিজ্ঞানকে উপভোগ করবে। এবং এখান থেকে অনুপ্রেরণা নিয়েই তারা কেউ গবেষক হবে, কেউ নাসায় কাজ করবে। আরো বড় করে বলতে গেলে এই অনুপ্রেরণায় তারা বিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহী হয়ে নতুন কিছু আবিষ্কার করে একদিন নোবেল পুরষ্কার পর্যন্ত পৌঁছে যাবে।

এরা বিজ্ঞানী

স্কুল ইভেন্টের সদস্যদের অনুপ্রেরণা
বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের মাঝে ছোট থেকেই বিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহ তৈরি করতে পারা, তাদের মাঝ থেকে বিজ্ঞানের ভীতি দূর করতে পারা, সর্বোপরি বাচ্চাদের সাথে হাতে-কলমে বিজ্ঞান নিয়ে কাজ করতে পারা থেকেই স্কুল ইভেন্টের সদস্যরা আরো বেশি শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছানোর অনুপ্রেরণা পেয়ে থাকেন। কিন্তু ক্যাম্পেইন করতে গিয়ে ছোট ছোট কিছু ঘটনা থেকেও তারা অনুপ্রেরণা পান। তেমনই কিছু গল্প শোনা যাক বাংলাদেশ বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণ সমিতির বিজ্ঞানবাক্স স্কুল ইভেন্টের অন্যতম সদস্য আল্লামা দিদারের মুখ থেকে-
“আমরা একবার পুরান ঢাকার সেন্ট ফ্রান্সিস জেভিয়ার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ক্যাম্পেইন করছিলাম, এক্সপেরিমেন্ট দেখানোর মাঝে হঠাৎ করে পেছনের বেঞ্চ থেকে তৃতীয় শ্রেণীর একটা ছাত্রী দৌড়ে এসে আমাকে দুটো চকলেট দিয়ে বললেন, স্যার এটা আপনার জন্য। আরেকটা ঘটনা ঘটেছে কল্যাণপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে। ক্লাস ফাইভের ক্লাস নিচ্ছিলাম আমরা, শিক্ষার্থীরা খুবই আগ্রহ নিয়ে দেখছিলো, বিভিন্ন প্রশ্ন করছিলো, কিছু কিছু এক্সপেরিমেন্ট নিজেরাও করছিলো। ক্লাস শেষ করে যখন আমরা বের হয়ে যাবো, তখনই ওদের ক্লাস ক্যাপ্টেন দাঁড়িয়ে বললো “এতক্ষন ধরে আমাদের অনেক কিছু শেখানোর জন্য আপনাদের অসংখ্য ধন্যবাদ” এরপর ক্লাসের সবার উদ্দেশ্যে আবার বললো “স্কাউট তালি বাজাও জোরে” বলেই ক্লাসের সবাই স্কাউট তালি বাজিয়ে আমাদেরকে প্রায় দুই মিনিট ধরে অভিবাদন জানিয়েছিলো। উত্তরা উচ্চ বিদ্যালয়ের একটা ঘটনা বলা যেতে পারে, আমরা উত্তরা উচ্চ বিদ্যালয়ে টানা ৭ দিন ধরে ক্যাম্পেইন করেছিলাম। সেখানে আমাদের কো-অর্ডিনেটর ছিলেন উত্তরা উচ্চ বিদ্যালয়ের শ্রদ্ধেয় শিক্ষক নুরুল ইসলাম স্যার। ক্যাম্পেইনের শেষ দিনে হঠাৎ নুরুল ইসলাম স্যার বললেন, আমরা যেভাবে বাচ্চাদের ক্লাস নেই উনি নিজেও সেভাবে একটা ক্লাস নিতে চান। এবং তিনি সব বুঝে নিয়ে অনেক সুন্দর একটা ক্লাস নিয়েছিলেন। আমরা এটাকে বিজ্ঞানবাক্স স্কুল ইভেন্টের প্রতি ওনার ভালোবাসা ও ওনার মুগ্ধতা হিসেবে নিয়েছি। এই ঘটনাও আমাদের অনেক বেশি অনুপ্রাণিত করেছে।”

বিস্ময় ভরা চোখ

স্কুল ইভেন্টের সফলতা
যদি সংখ্যা দিয়ে সফলতার কথা বলি তাহলে বাংলাদেশ বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণ সমিতির বিজ্ঞানবাক্স স্কুল ইভেন্ট এই পর্যন্ত বাংলাদেশের ১৭০০ এর বেশি স্কুলের সাড়ে তিন লক্ষ শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছেছেন সহজ বিজ্ঞান নিয়ে। এই বিশাল সংখ্যক শিক্ষার্থীকে জানাতে পেরেছেন, বিজ্ঞান আসলে কঠিন কিছু না। বইয়ের বিজ্ঞানের প্রতিটা ব্যাখ্যাই আছে বাস্তবে।
কিন্তু স্কুল ইভেন্টের অন্যতম সদস্য আল্লামা দিদার সংখ্যা দিয়ে দেখতে চান না। তিনি বলেন- “আগে বাচ্চাদেরকে বড় হয়ে কী হতে চায় জানতে চাইলে প্রায় সবাই ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার আর শিক্ষক হওয়ার কথা বলতো। কিন্তু আমাদের স্কুল ইভেন্টের এক্সপেরিমেন্টগুলো দেখানোর পর তাদের কাছে কী হতে চায় জানতে চাইলে বেশ ভালো একটা সংখ্যা বলছে তারা বিজ্ঞানী হতে চায়। এমন কী কেউ কেউ বলছে, তারা নাসায় কাজ করতে চায়। এই যে তারা বলতে পারছে তারা গবেষণা করতে চায়, নাসায় কাজ করতে চায়! এদের মাঝ থেকে দুএকজন অন্তত আছে যারা বিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহী হয়ে মন থেকেই এইসব বলছে। কেউ কেউ হয়তো সত্যি এরপর থেকে গবেষক হওয়ার জন্য পড়ালেখা করবে, কাজ করবে। সত্যি সত্যি কেউ হয়তো লেগে থেকে একদিন নাসা’য় কাজ করবে। সেটাই হবে আমাদের চূড়ান্ত সফলতা।”

আপনাদের স্কুলে বিজ্ঞানবাক্সের ক্যাম্পেইন করতে চাইলে আমাদের ফেসবুক পেজ অথবা    বাংলাদেশ বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণ সমিতির ফ্যাসিলিয়েটর সুমন হালদারের সাথে  ০১৭০৮১৬৬১৪১ এই নাম্বারে যোগাযোগ করুন।

আরো পড়তে পারেন- কোন বিজ্ঞানবাক্সটি কাদের ভালো লাগবে।

212 total views, 1 views today

What People Are Saying

Facebook Comment