জাপান এভাবে বদলে গেলো, আমরা কেন বদলাচ্ছি না? -ফজিলাতুন্নেসা শাপলা

দেশে ফেরার পর যখনই শিক্ষা ক্ষেত্রে কোন ভালো উদাহরণ দিতে গেছি, তখনই আমাকে নানা রকম প্রতিকূল ভাবনার মুখোমুখি হতে হয়েছে। শুনতে হয়েছে,“বাংলাদেশ তো আর জাপান না। খামোখা ঐ দেশের উদাহরণ এই দেশে টেনে এনে কী লাভ?”অনেকেই নানাভাবে আমাকে লজ্জা দেন।
আমি তাতেও দমে যাই না। লজ্জিত হইনা। বারবার করে নানা উদাহরণ টেনে আনি।
কারণ জাপানও আমাদের মতো অবস্থায় ছিলো। জাপানিজরা আচার আচরণে বরাবরই ছিলো গোঁড়া এবং শিক্ষা ব্যবস্থা ছিলো আমাদের বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থার মতো। জাপানিজ শিক্ষা ব্যবস্থাকে পূণর্গঠণ করা হয়েছে খুব বেশি দিন হয়নি। জাপান মানেই চোখে ভেসে ওঠে সামুরাইদের চেহারা। একসময় জাপানিজরা নিষ্ঠুর জাতি হিসেবে গোটা বিশ্বে পরিচিত ছিল। অন্যদের কাছে থেকে জাপানিজদের শিক্ষা-দীক্ষা নেবার ব্যাপারে ছিল চরম উন্নাসিকতা। এদো (edo) পিরিয়ডে পশ্চিমাদের সাথে মেশার ব্যাপারে আইন ছিল খুব কড়া। কোন জাপানিজ লেখা-পড়া শিখতে পশ্চিম দেশে সহজে যেতো না। কেউ শিক্ষার জন্য জাপানের বাইরে গেলেই তাকে অচ্ছ্যুত ভাবা হতো।
কিন্তু একজন মানুষ বদলে দিয়েছিল, জাপানিজদের নাক উঁচু স্বভাব। ছেলেটির নাম মানজিরো নাকাহামা। 

সমুদ্রের ধারে ছিলো তার বাস। জেলে পরিবারের সন্তান। ১৮৪১ সালের কোন এক দিনে ১৪ বছরের নাকাহামা তার চার বন্ধুকে নিয়ে মাছ ধরতে গিয়ে ঝড়ের কবলে পড়ে নৌকা ডুবির শিকার হয়। তারপর তারা সাঁতরে জনমানব শূন্য এক দ্বীপে ওঠে, যেখানে তাদের উদ্ধার পাবার সম্ভাবনা ছিলো না বললেই চলে।

বিপদগ্রস্ত নাকাহামা  এবং তার বন্ধুদের উদ্ধার করেন,তিমি শিকারী জাহাজের ক্যাপ্টেন“জন হাওল্যাণ্ড”। তিনি প্রথমে চার বন্ধুকে নামিয়ে দেন হনলুলুতে। কিন্তু মানজিরো নাকাহামা জেদ ধরে জাহাজেই থাকবে এবং ক্যাপ্টেনের সঙ্গেই থাকবে। তখন জন নাকাহামাকে তার সাথে নিয়ে যান আমেরিকার ম্যাচাচুসেটস এ এবং সেখানে তাকে ইংরেজী সহ বিভিন্ন বিষয়ে শিক্ষা দেন। ২৪ বছর বয়সে ১৮৫০ সালের ফেব্রুয়ারীর ২ তারিখে নাকাহামা লেখাপড়া শিখে পুরোদস্তুর বিদেশী ভাষায় পণ্ডিত হয়ে ফেরেন জাপানে।

ফিরলেই তো হবে না, তিনি তখন জাপান সরকারের রোষানলে পড়ে যান। তাকে সরকারের একলা চলো অর্থাৎ (national seclusion laws) সাকুকো আইন ভঙ্গের অপরাধে অপরাধী ঘোষণা করা হয় এবং তিনি জেলেও ছিলেন কিছুদিন। ধীরে ধীরে তার গুণ প্রকাশিত হতে থাকে এবং পরবর্তীতে তিনি আমেরিকায় জাপান এম্বেসীতে দোভাষীর কাজ করেন।
এই মানুষটা শুধু দোভাষীর কাজই করেননি। মিথ আছে, তিনি ঐ সময়ে শিক্ষা ব্যবস্থার একটা বড় পরিবর্তন আনেন।
জাপানিজ শিক্ষা ব্যবস্থা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে প্রভাবক হিসেবে কাজ করেন, আরেকজন ব্যক্তি তাঁর নাম,তেৎসুকো কুরোইয়ায়ানাগি। তিনি ধারাবাহিকভাবে একটা লেখা লিখতে থাকেন, পরে সেটি একটি বই আকারে প্রকাশিত হয়,“The little girl at the window” বাংলায় যেটা অনূদিত হয়, “জানালার ধারে তোত্তোচান”নামে।
তাঁর গল্পের বইয়ের শুরুতেই তোত্তোচানের যে অবস্থার কথা বর্ণনা করা হয়, তার সাথে আমাদের দেশের বর্তমান অবস্থার দারুণ মিল রয়েছে। তিনি শুরু করেছেন, এভাবে- It had happened only a week ago.  Mother had been sent for by Totto-chan’s homeroom teacher, who came straight to the point. “Your daughter disrupts my whole class. I must ask you to take her to another school.” The pretty young teacher sighed. “I’m really at the end of my tether.”

১৯৮০ সালে যখন তেৎসুকো  দেখলেন, জাপানিজ বাচ্চারা স্কুল যাওয়া ছেড়ে দিচ্ছে এবং শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকদের মধ্যে তৈরি হচ্ছে নানা জটিলতা তখন তিনি ধারাবাহিকভাবে এই লেখাটি লিখতে শুরু করেন।সেই সময়টায়  অল্পবয়সী শিক্ষার্থীদের সাথে নানা ধরণের ভায়োলেন্স বেড়ে গিয়েছিল এবং বেড়ে গিয়েছিল বুলিং। 

শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে অভিভাবক, রাজনীতিবিদ সকলেই তখনকার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনায় নেন । NHK টেলিভিশন সমস্যাটাকে এভাবে দেখেন যে জাপানের শ্রেণী কক্ষের অবস্থা ভেঙে পড়েছে। আন্তর্জাতিক ও জাপানের অভ্যন্তরীণ গবেষণায় পাওয়া গেলো- যে পাঠক্রম ছেলে-মেয়েরা ক্লাসে শিখছে, সেটা আদতে তারা বুঝতে পারছেনা।পাশাপাশি আরো একটা মজার তথ্য উঠে আসে যে, জাপানিজ ছেলে-মেয়েরা  ২০ বছর আগে যতোটা বাড়ির কাজে সাহায্য করতো তার চেয়ে অনেক কম বাড়ির কাজে সাহায্য করছে এবং ঘর গুছানো, রান্নার কাজ, বাজার-ঘাট, থালা-বাসন ধোওয়ার কাজ  OECD (The Organisation for Economic Co-operation and Development) (অস্ট্রেলিয়া, বেলজিয়াম, কানাডা, চিলি, ডেনমার্ক ইত্যাদি) দেশগুলোর চেয়ে অনেক কম করছে।
এই তথ্যগুলো নির্দেশ করে যে, জাপানিজ শিক্ষা ব্যবস্থায় “পাঠ্যক্রম খুব বেশী কঠিন এবং এর কোন প্রায়োগিক দিক নেই। যার ফলে, ছেলে-মেয়েদের অন্য কোন মানবিক গুণাবলী বিকশিত না হয়ে শুধু পড়ার চাপে পিষ্ট হচ্ছে এবং সর্বোপরি তারা পড়ালেখার প্রতি সব আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে।
আমার মতে,বাংলাদেশেও বর্তমানে শিক্ষা ব্যবস্থায় জাপানিজ সেই পরিস্থিতি বিরাজ করছে। আমাদের বাচ্চারা এখন খেলে না। ওরা কোন কাজ-কর্ম করেনা, শুধু পড়ে। পড়ার চাপে ওদের মানবিক গুণাবলী এবং সুকুমার বৃত্তিগুলো হারিয়ে যাচ্ছে। আমাদের ছেলে-মেয়েরা তৈরি হচ্ছে বাস্তবতা বিবর্জিত, প্রায়োগিক শিক্ষা বিহীন একধরণের অদ্ভুত জনগোষ্ঠীতে।
১৯৮০ সালের ধারাবাহিকতায় জাপানিজ শিক্ষা ব্যবস্থার আরও একটি সংশোধন আনা হয়, ১৯৯৬ সালে। তখন কেন্দ্রীয় কাউন্সিলে, জাতীয় পাঠ্যক্রমকে নতুন করে ঢেলে সাজানোর পরামর্শ দেয়া হয়। সেই একই কাউন্সিলে বলা হয়, শিশুরা বাঁচবে বাঁচার মত করে। বেড়ে ওঠার জন্য তাদের দিতে হবে একটি প্রাণবন্ত পরিবেশ অথবা জাপানিজ ভাষায় বলা হয়েছে শিশুরা বেড়ে উঠবে  with  ইকিরু চিকিরা ( a zest of living) এর মধ্য দিয়ে এবং শিক্ষা ব্যবস্থা হবে  Yutori education (relaxed education)
১৯৯৮ সালে শিক্ষা মন্ত্রণালয় যে পাঠ্যক্রমটা চালু করে সেটি কার্যকর হয় ২০০২ সাল থেকে। সেখানে জাপান সরকার ঘোষণা করে, জাপানিজ ছেলে-মেয়েরা বেড়ে উঠবে, মানবিকতা ও সৃষ্টিশীলতার মধ্য দিয়ে। তাদের পাঠ্যক্রম হবে সহজবোধ্য, যেটা হবে ছেলে-মেয়ের বোঝার উপযোগী।

অল্প বয়সী ছেলে-মেয়েদের মানবিক করে তুলতে নৈতিক শিক্ষা এবং শারীরিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হয়। অর্থাৎ ওদেশের নৈতিক শিক্ষা এবং শারীরিক শিক্ষা আমাদের দেশের মতো এতো অবহেলিত কোন বিষয় নয়। আমাদের দেশে সবচেয়ে অবহেলিত বিষয় হচ্ছে “শরীর চর্চা এবং নৈতিক শিক্ষা”। অথচ  অল্প বয়সী ছেলে-মেয়েদের সুস্থ, স্বাভাবিক  বিকাশ  নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এবং সৎ ও আদর্শবান হিসেবে গড়ে ওঠার জন্য এ দুটো বিষয়ের কোন বিকল্প নেই।

জাপানে ২০০২ সালে রেজিস্টার্ড বিদেশী ছিল প্রায় ১৯ লক্ষের মতো। তাদের মধ্য থেকে যোগ্য ব্যক্তিদের নির্বাচন করে native English teacher (NET) বাছাই করে, সাইতামা বোর্ড অব এডুকেশন ২০০৬ সাল থেকে চালু করে বিশেষ প্রকল্প যেটি English communication abilities development program (ECAD) নামে পরিচিত। ECAD program টি পাইলট প্রকল্প হিসেবে তখন সাইতামা প্রিফেকচারে চালু করা হয়, যেটি  পুরো জাপান জুড়ে কার্যকর হয়েছিল, ২০১২ সালে। ECAD প্রোগ্রামে ওদের পাঠ্যক্রম আরো উন্নত করার কাজে অন্যান্য বিদেশীদের সাথে আমিও সুযোগ পেয়েছিলাম, তখন দেখেছি- ওদেশের শিক্ষাটাকে ওরা কতটা জীবনমুখি করে তুলেছে। শিক্ষা সেখানে মোটেও ব্যবসা নয়।

শিক্ষা কখনই একক কোন বিষয় নয়। সাধারণতঃ শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক, কমিউনিটি সকলের সমন্বয়ে গড়ে একটি শিক্ষা ব্যবস্থা। দ্বিতীয়বিশ্বযুদ্ধের পর জাপানিজরা সত্যি জাতি গঠনের দিকে মনোযোগী হয়ে ওঠে।
শিক্ষকরা ওদেশে এমন একটা পর্যায়ে চলে এসেছেন যে, তাঁদের ধৈর্য, সহ্য এবং শেখানোর একাগ্রতা যে কোন দেশের জন্য উদাহরণ হতে পারে। অভিভাবকরা চোখ বন্ধ করে শিক্ষকদেরে ওপর ভরসা করতে পারেন। জাপানে “শিক্ষকতা’’ সর্বোচ্চ সম্মানের একটি কাজ। শিক্ষক মানেই তিনি একজন ছোট-খাটো সেলিব্রিটি। সে জন্যই শিক্ষককে চলতে হয়, অত্যন্ত সতর্কতার সাথে, সেখানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ পথে-ঘাটে, দোকানে, বাসে শিক্ষককে অনেক নিয়ম মেনে চলতে হয়। যা খুশি তাই তারা করতে পারেন না।
যেমনঃ না বুঝে একবার আমি সাইকেল চালিয়ে রাস্তা পার হয়েছিলাম। স্কুলে ঢুকতেই প্রিন্সিপ্যাল ডেকে বিনয়ের সাথে বললেন- “তুমি হয়তো খেয়াল করোনি, তাই সাইকেল চালিয়ে রাস্তা পার হয়েছো। আসলে ওখানে সাইকেল নিয়ে পার হওয়া নিষেধ। তুমি যদি নিয়ম না মানো, তাহলে ছোট ছোট বাচ্চারাও নিয়ম মানতে শিখবে না”।
তেমনি ভাবে সাম্যের ভিত্তিতে পাঠ্যক্রম তৈরি বলে, চোখে পড়ার মতো শ্রেণি বৈষম্য সেই স্কুলগুলোতে নেই এবং অভিভাবকরাও অন্যায় কোন সুযোগ নেন না। তারা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের যে কোন নিয়ম মেনে চলেন। শিক্ষকদের প্রতি সম্মান তাদের সীমাহীন।
অন্যদিকে মিডিয়া, পুলিশ প্রশাসন থেকে সরকারের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলোও শিক্ষার সহায়ক হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে।
যেমনঃ একজন ছেলে বা মেয়ে স্কুল পালালে, স্কুল ইউনিফর্ম পরা একজন ছাত্র-ছাত্রীকে অসময়ে রাস্তায় ঘুরতে দেখলে, একজন অভিভাবক নিজ দায়িত্বে স্কুলে ফোন করে জানান। স্কুল তখন কমিউনিটি পুলিশকে অনুরোধ করেন। ছাত্র/ছাত্রিটিকে যে এলাকায় দেখা গেছে সেখানকার একজন কমিউনিটি পুলিশ ছাত্র/ছাত্রীটিকে বুঝিয়ে স্কুলে ফেরত দিয়ে যান।
জাপানে আত্মহত্যার হার সবচেয়ে বেশি। সেদেশের ছেলে-মেয়েরা যে কোন ছুঁতো নাতা  পেলেই আত্মহত্যা করে। মিডিয়া তখন ঝাঁপিয়ে পড়েনা জীবন সংহারকারীকে হিরো বানানোর জন্য। বরং তারা সে সব ক্ষেত্রে খুব সংযমী হয়ে ওঠে।
মনে আছে, একবার ক্লাস ফাইভের ছেলেকে তার বন্ধু বলেছিল, “শিনে” মানে “তুই মর“ টাইপের শব্দ। তাতেই অভিমান করে শিশুটি আত্মহত্যা করে।
এটি জানার পর সাইতামা প্রিফেকচারের সব ক’টি (১৫৬) স্কুলে একই সাথে,একই দিনে, একই সময়ে একটি বিশেষ ক্লাস নেয়া হয়।
সেখানে সচিত্র একটি মেটাফোর ব্যবহার করে সব বাচ্চাদের সতর্ক করা হয়—-
Glub Glub
He thought it was
The biggest puddle
He’d go splashing through.
Turns out It was
The smallest lake……
And the deepest, too.
অর্থাৎ যেটাকে ছেলে-মেয়েরা বৃষ্টির পর কাদা–জল জমে যাওয়া ছোট্ট গর্ত ভাবছে। না জেনে সেটাতে খেলার জন্য,একটু আনন্দের জন্য পা দিয়ে পানি ছিটাতে চাইছে, সেটা মোটেও বুদ্ধিমানের কাজ নয়, কারণ ওটা বড় গর্তও হতেপারে, যেখানে তারা ডুবে যেতে পারে।
মিডিয়া খুব ছোট্ট করে এই আত্মহত্যার কথা প্রচার করলো, তার চেয়ে বেশি সমালোচনা করলো যে স্কুলগুলোতে নৈতিক শিক্ষা নিশ্চিত করা হচ্ছে না। মিডিয়া এবং স্কুলগুলো খুব যত্ন করে শিশু-কিশোরদের কাছে গোপন করলো এই দুর্ঘটনার কথা। কারণ তারা ছেলে-মেয়েদের প্যানিক করতে চায়নি। তাদেরকে পক্ষান্তরে উৎসাহিত করতে চায়নি।
জাপানি জীবন ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে 3G এর সমন্বয়ে। G-Genki (元気) means “energy,” “drive,” or “enthusiasm.”  G-Gaman (我慢 which means “tolerance” or “endurance. G- Ganbaru(頑張るwhich means “fight” or “do your best.”
এখন আমাদের সময় এসেছে জাতি গঠন করবার। বাবা-মা হিসেবে আমি এবং শিক্ষক হিসেবে আপনি, আমাদের মধ্যে পারষ্পারিক শ্রদ্ধা বোধ না থাকলে, সহনশীলতা না থাকলে, বিশ্বাস এবং ভরসা না থাকলে, আমাদের সন্তান অরিত্রীকে বাঁচাবো কি করে?
আমাদের ফাঁক ও ফাঁকিগুলো অরিত্রীরা দেখে ফেলছে বলেই ওরা অভিমানী হয়ে উঠছে। হতাশ হয়ে পড়ছে। কখনো কখনোও অন্যায়ভাবে সুযোগ নিচ্ছে। আমাদের সন্তানেরাও যাতে অন্যায় সুযোগ না নিতে পারে এবং তাদের আবেগের কাছে আমরা যাতে জিম্মি হয়ে না পড়ি সেদিকে লক্ষ্য রাখার সময় চলে এসেছে।
লেখক পরিচিতি-
ফজিলাতুন্নেসা শাপলা একজন কাউন্সেলিং সাইকোলোজিস্ট। তিনি জাপানে  Native English teacher NET হিসেবে সাইতামা প্রিফেকচারে সাইতামা বোর্ড অব এডুকেশনের অধীনে ECAD program এ জাপানিজ পাবলিক এলিমেন্টারি এবং জুনিয়র হাই স্কুলে কাজ করেছেন।  সাথে কারিকুলাম ডেভেলপমেন্টের  কাজও করেছেন।

What People Are Saying

Facebook Comment